ফিরে তো আর কেও দেখি নি --
ময়লা মাখা ছেঁড়া কাপড় জামায়
সে রাস্তায় দাড়িয়ে যুগান্তরে
এক সুগঠিত পুরুষ হলো
কত যে পূজার মিছিল, জিন্দাবাদ -
মুর্দাবাদ, দমকলের সায়রান
হরিবলের ধ্বনি, কাছে দিয়ে
মধুরীম কিংবা বিতৃষ্ণা ভরা দিন
কি ভাবে সরে দূর হলো সে
নিজেই জানে না --
বস্তির নর্দমা, চেনা গন্ধ
কাজের মেয়েদের ইশারা
নিম্নাঙ্গে অস্থিরতা,
ঘুপ আঁধারে সে ও মধুপান
করতে চায়, কিসের অশ্লীলতা
যৌবনের পরিভাষা
কোনো শ্রেণী ভেদ জানে না
স্বপ্নে শুধুই তোমাদের দাবি কেন ?
--- শান্তনু সান্যাল
বাংলা আধুনিক কাব্য গুচ্ছ / BENGALI MODERN POETRY - শান্তনু সান্যাল / SHANTANU SANYAL © It's subject to copyright.
বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই, ২০১০
মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০১০
পুরাতন এলবাম
অলস পড়ন্ত বেলায় শীতের শিহরন সহজে
বেড়ে যায়, মধুর স্মৃতির ফুল ফোটানো শাল
গায়ে দিতে গিয়ে, ভালবাসা যেন ধুসর হারানো
পুরাতন এলবাম রঙ্গ বিহীন,আবছা- আবছা
বয়েসের ছাপ স্পষ্ট বোঝা যায় প্রণয়ের পৃষ্ঠে,
অকস্মাত বুকের ভিতরে কম্পন বেড়ে যায়
হাত দিতে যেন ভয়, যদি ছিড়ে যায় অযত্নে,
সাঁঝ নামতে না, নামতে ভগ্ন মন্দিরে জানি না
কোন অপরিচিতা প্রদীপ জ্বালিয়ে নিমিষে
সরে যায়ে রঙ্গিন মেঘের আড়ালে---
নিশীথের দাপাদাপি, মধ্যরাত্রি বিনিদ্র চোখে
পুষ্পিত শালের সব কুসুম ঝরে, বুকে আবরণ
আর দরকার হয় না,প্রেমের লেপে হারিয়ে যেতে
ভালই লাগে //
---শান্তনু সান্যাল
বেড়ে যায়, মধুর স্মৃতির ফুল ফোটানো শাল
গায়ে দিতে গিয়ে, ভালবাসা যেন ধুসর হারানো
পুরাতন এলবাম রঙ্গ বিহীন,আবছা- আবছা
বয়েসের ছাপ স্পষ্ট বোঝা যায় প্রণয়ের পৃষ্ঠে,
অকস্মাত বুকের ভিতরে কম্পন বেড়ে যায়
হাত দিতে যেন ভয়, যদি ছিড়ে যায় অযত্নে,
সাঁঝ নামতে না, নামতে ভগ্ন মন্দিরে জানি না
কোন অপরিচিতা প্রদীপ জ্বালিয়ে নিমিষে
সরে যায়ে রঙ্গিন মেঘের আড়ালে---
নিশীথের দাপাদাপি, মধ্যরাত্রি বিনিদ্র চোখে
পুষ্পিত শালের সব কুসুম ঝরে, বুকে আবরণ
আর দরকার হয় না,প্রেমের লেপে হারিয়ে যেতে
ভালই লাগে //
---শান্তনু সান্যাল
নিস্তব্ধ যামিনী
নিস্তব্ধ যামিনী, পিকাসোর একাকী গিটারিস্ট
মনের নিরবে আত্মমন্থন করে যায়
মোনালিসার হাসি ঝরে কোন-
সেউলি বনে, মাইকেল এঞ্জেলোর তুলিকা
কাচা ঘুম ভাঙ্গা শিশুর রোদনে, কিছু অর্থ
খুঁজে বেড়ায়, যিশুর সুপ্ত পলকে শিশির কনা
বিন্দু বিন্দু ঝরে যায়
সারি সারি সহস্ত্র মরিয়ম, হাতে মোমবাতি
ঝির ঝির আলোয় কোথায় যেন
মৌন মিছিল হেটে চলেছে-
এলোমেলো রূপে বৃদ্ধা,রুগী, পঙ্গু, জর্জরিতমুখ
সকাল এখন বহু দূর মরু প্রান্তে
রাজপথের দুই ধারে অর্ধ উলঙ্গ পুরুষ বৃন্দ
অবাক চেয়ে রয়েছে
পূর্ব আকাশ শ্যাম রক্তিম
চিরকুট মেঘের দল ছড়ানো চার দিগে //
---শান্তনু সান্যাল
মনের নিরবে আত্মমন্থন করে যায়
মোনালিসার হাসি ঝরে কোন-
সেউলি বনে, মাইকেল এঞ্জেলোর তুলিকা
কাচা ঘুম ভাঙ্গা শিশুর রোদনে, কিছু অর্থ
খুঁজে বেড়ায়, যিশুর সুপ্ত পলকে শিশির কনা
বিন্দু বিন্দু ঝরে যায়
সারি সারি সহস্ত্র মরিয়ম, হাতে মোমবাতি
ঝির ঝির আলোয় কোথায় যেন
মৌন মিছিল হেটে চলেছে-
এলোমেলো রূপে বৃদ্ধা,রুগী, পঙ্গু, জর্জরিতমুখ
সকাল এখন বহু দূর মরু প্রান্তে
রাজপথের দুই ধারে অর্ধ উলঙ্গ পুরুষ বৃন্দ
অবাক চেয়ে রয়েছে
পূর্ব আকাশ শ্যাম রক্তিম
চিরকুট মেঘের দল ছড়ানো চার দিগে //
---শান্তনু সান্যাল
পিকাসোর সেই একাকী গিটারিস্ট
নিরব ননের গভীরতায় মোনালিসার
হাসির রহস্য নিয়ে আত্মমন্থন করে যায়,
শেষ প্রহরে মাইকেল এঞ্জেলোর তুলিকা
সহসা জেগে ওঠে কাচা ঘুমের শিশুর
ব্যথাভরা রোদনে, যিশুর দুই সুপ্ত চোখে
অশ্রু, বিন্দু বিন্দু ঝরে যায় সারা রাত
দেখি নিস্তব্ধ রাজপথে সারি সারি
মরিয়মদের হাতে মিট মিট মোমবাতি,
মৌন মিছিল হেঠে চলেছে অদৃশ্য দিগন্তে
এলোমেলো বৃদ্ধা,পঙ্গু,রুগী, জর্জরিত মুখ,
সকাল এখন বহুদূর কোন মরুপ্রান্তে
রাস্তার দুই ধারে রোমনযুগীন অর্ধ উলঙ্গ পুরুষ
অবাক চেয়ে রয়েছে,
কোন দেশের যাত্রী, কী যা চায়-
---শান্তনু সান্যাল
নিরব ননের গভীরতায় মোনালিসার
হাসির রহস্য নিয়ে আত্মমন্থন করে যায়,
শেষ প্রহরে মাইকেল এঞ্জেলোর তুলিকা
সহসা জেগে ওঠে কাচা ঘুমের শিশুর
ব্যথাভরা রোদনে, যিশুর দুই সুপ্ত চোখে
অশ্রু, বিন্দু বিন্দু ঝরে যায় সারা রাত
দেখি নিস্তব্ধ রাজপথে সারি সারি
মরিয়মদের হাতে মিট মিট মোমবাতি,
মৌন মিছিল হেঠে চলেছে অদৃশ্য দিগন্তে
এলোমেলো বৃদ্ধা,পঙ্গু,রুগী, জর্জরিত মুখ,
সকাল এখন বহুদূর কোন মরুপ্রান্তে
রাস্তার দুই ধারে রোমনযুগীন অর্ধ উলঙ্গ পুরুষ
অবাক চেয়ে রয়েছে,
কোন দেশের যাত্রী, কী যা চায়-
---শান্তনু সান্যাল
সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০১০
স্পর্শ
নিস্তব্ধ রাত্রি, নিশিডাক সুনেছি গল্পে
ছায়ারা ও কথা বলে জেনেছি
তোমায় ভালোবেসে,
নিজের প্রতিবিম্বে অনন্য ছবি
দেখেছি বিভোর মনে,
নিশিগন্ধের স্পর্শ পেয়েছি
বহুবার অন্তর বাহির অঙ্গে,
উভয় লিঙ্গী অস্তিব নিয়ে
মনের দ্বন্দ ভুগেছি
তোমায় ভালোবেসে,
---শান্তনু সান্যাল
ছায়ারা ও কথা বলে জেনেছি
তোমায় ভালোবেসে,
নিজের প্রতিবিম্বে অনন্য ছবি
দেখেছি বিভোর মনে,
নিশিগন্ধের স্পর্শ পেয়েছি
বহুবার অন্তর বাহির অঙ্গে,
উভয় লিঙ্গী অস্তিব নিয়ে
মনের দ্বন্দ ভুগেছি
তোমায় ভালোবেসে,
---শান্তনু সান্যাল
শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০১০
তোমাদের জন্য
তোমাদের জন্য আজ বাঙালিদের এই দশা
শরত -রবীন্দ্রের কুমুদিনী,সৌদামিনী
দিল্লি,নয়ডার বাংলোতে ঝি আর মুম্বাইর
মধুশালায় বার গার্ল হয়ে জীবন যাপন করে
তোমাদের জন্যই আজ লজ্জিত বাঙালর মাটি
তোমাদের জন্যই আজ আমরা হাস্যপদ
শুধুই বাস্তুহারা ছাড়া কিছুই নই
কী বিষাক্ত বিচারধারা ছড়ালে চারদিকে
ছিন ভিন্ন এক পূর্ব উন্নত সমাজ
সবুজ শ্যামল সেউলি পদ্ম সাজানো
সেই বঙ্গ ভূমি তে লাল রঙ্গ মাখিয়ে
যা উন্নতির শিখরে নিয়ে গেলে
তাহার প্রতিধ্বনি সাড়া দিয়ে যায়
বঙ্গ বনিতাদের গায়ে
তাই দেখি বিবেকানন্দ,বঙ্কিম, অরবিন্দ
কত অজানা বাঙালির চোখে
শুধুই অশ্রু ঝরে যায় //
---শান্তনু সান্যাল
শরত -রবীন্দ্রের কুমুদিনী,সৌদামিনী
দিল্লি,নয়ডার বাংলোতে ঝি আর মুম্বাইর
মধুশালায় বার গার্ল হয়ে জীবন যাপন করে
তোমাদের জন্যই আজ লজ্জিত বাঙালর মাটি
তোমাদের জন্যই আজ আমরা হাস্যপদ
শুধুই বাস্তুহারা ছাড়া কিছুই নই
কী বিষাক্ত বিচারধারা ছড়ালে চারদিকে
ছিন ভিন্ন এক পূর্ব উন্নত সমাজ
সবুজ শ্যামল সেউলি পদ্ম সাজানো
সেই বঙ্গ ভূমি তে লাল রঙ্গ মাখিয়ে
যা উন্নতির শিখরে নিয়ে গেলে
তাহার প্রতিধ্বনি সাড়া দিয়ে যায়
বঙ্গ বনিতাদের গায়ে
তাই দেখি বিবেকানন্দ,বঙ্কিম, অরবিন্দ
কত অজানা বাঙালির চোখে
শুধুই অশ্রু ঝরে যায় //
---শান্তনু সান্যাল
সরিসর্প
আমরা বিক্ষিপ্ত,বিস্মৃত,কলঙ্কিত,
হৃদয়ে কুষ্ঠ বয়ে যাই
গায়ে গলিত অজস্র দুর্গন্ধ
বুকে যুগ যুগান্তেরের শ্লেষ্মা
ত্বকে সর্ব অঞ্চলে পোড়ানো দাগ
অস্থির নলিকায়ে বিশ প্রবাহিত
সমাজ বহিস্কৃত ধর্মবিহীন
নাভির অন্তরে আগ্নেয়গিরি
তোমরা সবাই ভ্দ্র ও সুসংস্কৃত
আমাদের জন্য নিজের কুলীনতা
বাদ দিতে যেও না
শুধুই নগ্নতা,পাশবিকতা
চিরদিনের আঁধার
সূর্যের উদয়- অস্তের প্রশ্নই ওঠে না
গহন কুহাসা মেরুদন্ডবিহীন
আমরা সরিসর্প সহজে বিলুপ্তি পাই না
বস্তির শাখা প্রশাখাযে
অরণ্য পার্বত্যে সৃষ্টির কুত্সিত সত্য
যদি পৌরষবাহী তোমাদের আত্মা থাকে
তাহলে এই জীবন অঙ্গীকার করে দেখো /
--শান্তনু সান্যাল
হৃদয়ে কুষ্ঠ বয়ে যাই
গায়ে গলিত অজস্র দুর্গন্ধ
বুকে যুগ যুগান্তেরের শ্লেষ্মা
ত্বকে সর্ব অঞ্চলে পোড়ানো দাগ
অস্থির নলিকায়ে বিশ প্রবাহিত
সমাজ বহিস্কৃত ধর্মবিহীন
নাভির অন্তরে আগ্নেয়গিরি
তোমরা সবাই ভ্দ্র ও সুসংস্কৃত
আমাদের জন্য নিজের কুলীনতা
বাদ দিতে যেও না
শুধুই নগ্নতা,পাশবিকতা
চিরদিনের আঁধার
সূর্যের উদয়- অস্তের প্রশ্নই ওঠে না
গহন কুহাসা মেরুদন্ডবিহীন
আমরা সরিসর্প সহজে বিলুপ্তি পাই না
বস্তির শাখা প্রশাখাযে
অরণ্য পার্বত্যে সৃষ্টির কুত্সিত সত্য
যদি পৌরষবাহী তোমাদের আত্মা থাকে
তাহলে এই জীবন অঙ্গীকার করে দেখো /
--শান্তনু সান্যাল
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)



