Monday, 15 November 2010

হিন্দী গজলের বাংলা অনুবাদ


হিন্দী গজলের বাংলা অনুবাদ

মেঘ দল বর্ষণ করে কবে যে হারিয়ে গেছে , জানি না
মন যেন এখন তৃপ্ত
পাহাড়ের গায়ে উঠছে কুহাসা
মনের কোলাহল থেমে গেছে যেন
তৃষিত হৃদয় খুবই অশান্ত ছিল
অশ্রু ঝরার আগে,
আদ্র নয়ন পাতে, ঝরিত জল বিন্দু
আজ সুন্দর মখমলি সন্ধ্যা লাগে
সুকনো ফুলের অবশেষ, এখন রয়েছে
জীবন নিখুঁত নয় বন্ধু
আলোর শহরে হারিয়ে গেছে
সে যে আমার আঁধারের বন্ধু
আইনা প্রমাণ চাহে
আমার মুখ অনাম, অচেনা লাগে
চিঠি এখন ও রয়েছে
অবশ্যই লিখন মিটে গেছে
স্পর্শ করলে যেন এক মিষ্টি ভাব
মনের নিকটে সেই নাম রয়ে গেছে
ওই আসরে বহুবার নিজের ছায়া কে
আমি বাঁচিয়েছি
প্রেয়সী পূজক, আরো জানি না কত
অভিযোগ তাহারা দিয়েছে
বিক্ষিপ্ত দশায় মরা ও মুশকিল
আবার বাঁচার উত্কন্ঠা মনে জাগে
প্রারন্ভ আর মনে নেই
শেষের তীক্ষ্ণ তীব্রতার, আর ভয় নাই /
-- শান্তনু সান্যাল

Saturday, 13 November 2010

মোহভঙ্গ


মোহভঙ্গ

অন্তহীন অন্তর্দ্বন্দের মাঝে পেয়েছি তোমায়
ফিরে যাওয়া সমস্ত উচ্চ নিম্ন ঢেউর গায়ে
লেখা ছিল প্রেমের ইতিকথা তীরের পৃষ্ঠে ,
এখনো রয়েছে চাবুকের দাগ, দিয়ে গেছ -
পরিপূর্ণ দংশ সুন্দর ভাবে নিরন্তর ছোবলে,
তটের সীমাবর্তী, অনাম চারা গজিয়ে উঠেছে
হয় তো পুষ্প ও ফুটবে একদিন, ভ্রুণ গুলো
হয়েছে স্বপ্ন, তোমার গর্ভের বাইরে ও নিশ্বাস
নিতে পারে তারা, তুমি নিশ্চই তা জানো,
পুনঃ সমর্পনের জন্য তোমার আসতে ই হবে
পুর্ণিমা নিশা আর মোহভঙ্গ, প্রতিদংশ অবশেষে
ফিরে যেতে পারবে কি মাঝ দরিয়ায় ?
-- শান্তনু সান্যাল

Wednesday, 10 November 2010

হলুদ রাঙ্গা পাখি


হলুদ রাঙ্গা পাখি
পাহাড়ের গায়ে, শ্রাবনী মেঘদল যখন ভেসে যেত
সেই আঁকা বাঁকা অরণ্য ফুলের বীথি
বউ কথা কও- ডাকে ভরে উঠত বন প্রান্তর
ঠিক তোমার মধুরিম হাসি সম
স্মৃতির কাঁচঘরে যেন মুখরিত মৌনপ্রনয়
আন্দোলিত হৃদয় ছুঁয়ে যেতে চায়
মহানগরের আকাশী রহস্য, কিছু চিরকুট মেঘ
আজ ও হলুদ রাঙ্গা পাখির কাতর ডাক
মাঝে মধ্যে বেদনা ছড়িয়ে, জানি না কোন
দিগন্তে উড়ে যায় নিমিষে
রামধনু আজ ও উঠে ধুম্রময় আকাশে
সপ্তরঙ্গ মনে হয় আবছা আবছা
বর্ষার জলে যেন ভিজে উঠেছে প্রেমপত্র
-- শান্তনু সান্যাল