Sunday, 24 October 2010

নিখোঁজ নিজেই ছিলেম, খুঁজে পেলাম তোমায়
এখানে শিরীষ ঝরে নিশব্দে,কে যেন গান গেয়ে
যায় রাত্রিশেষে, আঁখিতে ভালবাসার রঙ্গ ঝরে ,
অবশ্যই জানালার পারে তুমি প্রায় দাড়িয়ে রও
ইঙ্গিতে জানিয়ে দিতে চাও জ্বলন্ত সীমারেখা,
আমি সহজে তোমার বর্চস্ব মানতে চাই না /
-- shantanu sanyal
/

Wednesday, 6 October 2010

পুনরায় বলিদান

আদ্রা নক্ষত্রে,তমস ঘন, শ্রাবনের সেই তুমুল বর্ষনে

তুমি দিয়ে ছিলে অভয়দান, আমি চেয়ে ছিনু ভয়ে 

শুধুই আশ্রয়, মাত্র এক ভয়াবহ নিশিথের  প্রতিদান /

জেনে ও যে, আমি এক  শত্রু দেশের পলাতক সৈনিক 

রুধির ঝরিত বাহুতে,তুমি বেঁধে ছিলে প্রেমাঞ্চল 

করুণাধারায় পরিতৃপ্ত হল, মম আহত দেহ প্রাণ /  

বুদ্ধবিহারে উঠে ছিল,অভিযোগ সমবেত কন্ঠে

সংঘ প্রমুখ দিয়ে ছিল, তোমায় মৃত্যু উপহার

দুই প্রাঞ্জল নেত্রে, ছিল মুক্তি, করেছি মুক্তিস্নান /

নিশান্তে, সমস্ত ভিক্ষু জড়িত ছিল চৈত্য প্রাঙ্গনে

লাঞ্ছিত, অপমানিত, তেজস্বিনী মুখে ছিল হাসি,

হাতে বিষ পাত্র, নিয়ে বললে এটা নব অবসান /

হে! তথাগত, মানব প্রেমে নিও পুনরায় বলিদান //

-- শান্তনু সান্যাল

Tuesday, 5 October 2010

পাষাণী স্রোত

কহিতে পারি নি, মনেই ভস্মিভূত রইলো প্রণয়ের অগ্নিশিখা,

দিও না পুনরায় আভাস, দক্ষিনা বাতাস মম  সুপ্তান্তরে   /

হারানো সুর খুঁজে স্বরলিপি, আহত  সর্ব প্রেমানুভূতি,

দু দিগে বহে নীল জলধারা, মৌন বেদনা মধ্যান্তরে /

জীবনের প্রতিচ্ছবি অঙ্কিত ছিল বহু খন্ডিত প্রাচীরে,

খসে পড়েছে প্রস্তর রঙহীন, বিলুপ্ত ভিত্তি  ও কালান্তরে /

প্রাচীন একাকী দেউল রয়েছে কী এখন অরণ্যের মাঝে,

শুনেছি অতৃপ্ত পাষাণী স্রোত, বহে যায় তাহার সমানান্তরে /

পলাশময় ছিল মনের বাতায়ন, বন্য কুসুমিত ভালবাসা ,

ভুলে গেছি রহস্যময় সে বন পথ, ক্রমশ সময়ান্তরে //

-- শান্তনু সান্যাল

Monday, 4 October 2010

শশিবিম্ব

নির্ঝর হাসির সঙ্গে ছিল, কিছু মিলিত পুরাতন  অশ্রু বিন্দু 

ধুম্র উঠে ছিল বহু কাল আগে, আজ ও কেন সজল আঁখি /

ভুলিতে গিয়ে জড়িয়ে এলে, যেন বন বল্লরী কেতকী অঙ্গে

অবাক চেয়ে রয় শশিবিম্ব, কি ভাবে হৃদ কম্পন ঢাখি /

মেঘবিহীন আকাশ, বিস্তৃত নীলাঞ্চল যেন মহা জলধি

মনের পৃথিবী উধ্বস্ত, দিবা নিশি বয়ে যায় কালবৈশাখী //

-- শান্তনু সান্যাল

Friday, 1 October 2010

মোহভঙ্গ,

অন্তহীন অন্তর্দ্বন্দের মাঝে পেয়েছি তোমায় 

ফিরে যাওয়া সমস্ত উচ্চ নিম্ন ঢেউর গায়ে 

লেখা ছিল প্রেমের ইতিকথা তীরের পৃষ্ঠে ,

এখনো রয়েছে চাবুকের দাগ, দিয়ে গেছ -

পরিপূর্ণ দংশ সুন্দর ভাবে নিরন্তর ছোবলে, 

তটের সীমাবর্তী, অনাম চারা গজিয়ে উঠেছে

হয় তো পুষ্প ও ফুটবে একদিন, ভ্রুণ গুলো

হয়েছে স্বপ্ন, তোমার গর্ভের বাইরে ও নিশ্বাস

নিতে পারে তারা, তুমি নিশ্চই তা জানো,

পুনঃ সমর্পনের জন্য তোমার আসতে ই হবে

পুর্ণিমা নিশা আর মোহভঙ্গ, প্রতিদংশ অবশেষে

ফিরে যেতে পারবে কি মাঝ দরিয়ায় ?

-- শান্তনু সান্যাল