Friday, 16 July 2010

সরিসর্প

আমরা বিক্ষিপ্ত,বিস্মৃত,কলঙ্কিত,


হৃদয়ে কুষ্ঠ বয়ে যাই

গায়ে গলিত অজস্র দুর্গন্ধ

বুকে যুগ যুগান্তেরের শ্লেষ্মা

ত্বকে সর্ব অঞ্চলে পোড়ানো দাগ

অস্থির নলিকায়ে বিশ প্রবাহিত

সমাজ বহিস্কৃত ধর্মবিহীন

নাভির অন্তরে আগ্নেয়গিরি

তোমরা সবাই ভ্দ্র ও সুসংস্কৃত

আমাদের জন্য নিজের কুলীনতা

বাদ দিতে যেও না

শুধুই নগ্নতা,পাশবিকতা

চিরদিনের আঁধার

সূর্যের উদয়- অস্তের প্রশ্নই ওঠে না

গহন কুহাসা মেরুদন্ডবিহীন

আমরা সরিসর্প সহজে বিলুপ্তি পাই না

বস্তির শাখা প্রশাখাযে

অরণ্য পার্বত্যে সৃষ্টির কুত্সিত সত্য

যদি পৌরষবাহী তোমাদের আত্মা থাকে

তাহলে এই জীবন অঙ্গীকার করে দেখো /

--শান্তনু সান্যাল

কিছু স্বপ্ন

কিছু স্বপ্ন মৃত জন্মায়
ভোরের আগেই রাস্তার ধারে ফেলে
অবকাশ মুক্ত হয় মমতাময়ী রাত্রি,
কিছু স্বপ্ন অতল গর্ভে অনিচ্ছায়
পড়ে থাকে নতুন সকালের আশায়,
ভবিষ্যত নিজের শোধ আদায় করে
সোনাগাছির অদৃশ্য জগতে
হারিয়ে যায় কত মুখ
প্রতিমা সৃজনের মাটি তে, কে বা
খবর রাখে,কখনো লালবাজারের
পথ দিয়ে কত কচি স্বপ্ন কেন্দ্রীয়
কারাগারে পূর্ণ যৌবন প্রাপ্ত করে,
কিছু স্বপ্ন দুরন্তগামী রেল চেপে
মুম্বাইর জন অরণ্যে বিলুপ্ত হয়,
কিছু স্বপ্ন পড়ন্ত বেলার মিছিলে
যোগ দিয়ে হটাত অচেনা গলি তে
নিখোঁজ হয় হারিয়ে যায়,
অনেক স্বপ্ন আবার নিশাচর
মধ্য নিশিতে অনন্য স্বপ্নের
গায়ে হানা দিয়ে চুরমার করে
আগামী স্বপ্নের পুনরাবর্তি //
--শান্তনু সান্যাল

তারা পৌষ মানে না


চাঁদ,পুষ্প,আকাশ, শব্দের জাদু
সবাই শুধুই স্বপ্ন দেখে যায়
জীবনের বৃষ্টি ছায়ার প্রান্তে
অভিশিপ্ত হ্রদয়ের মরুভূমি
নষ্ট মেয়ের ভাগ্য হয় যায়
লাঞ্ছনা,কলঙ্ক সমাজপতিদের
থু থু গায়ে মেখে সে এক
দিন, বহিস্কৃতবাজারু হয়ে যায়
নষ্ট ছেলেদের যে কিছুই
হারায় না, জন্মগত তাহারা
নষ্ট কর্তা,বহুগামী স্রোত
যৌন সমাগমের মহাসাগর
কোনো ভেদ বিভেদ নাই,
পুরুষালি জগতে প্রাকৃতিক
অপ্রাকৃতিক বলে কিছুই নাই
দেহ তৃপ্তির সেই বন্য আকাঙ্খা
কোনো বিচারধারা মানে না
নদীর শুধুই চায় ভাঙ্গন
কেবল ভাঙ্গন, তটভূমির বেদনা?
তার লেনাদেনা কিছুই না
সে হাহাকারে আনন্দ ভোগ করে
তারা পৌষ মানে না //
--শান্তনু সান্যাল