Wednesday, 23 March 2011

ঘট শ্রাদ্ধ
নিবিড়, সঘন বাঁশ বনের মধ্যখানি দিয়ে সেই সরু পথ
নেমে গেছে নদীর গায়ে যেন চুষে নিতে চায় পূর্ণ সজলতা
সন্ধ্যার আকাশে ফুটিনি একটাও নীল মণি
ঢালু পথে হাঁটতে গিয়ে দেখি গড়িয়ে চলেছে অহংকার
পৈতের গীট, গোত্রের জাল, রক্তের বিশুদ্ধতা
জাতির অভিমান, বংশের সুকনো কিংবা মরা ধারা
পিতৃ দোষ বইতে গিয়ে রাত্রি এসেছে নেমে -
সুদূর কোন অঞ্চলে ডেকে উঠেছে শৃগালের দল 
জীবাশ্ম যুগের পুরোহিত করে দিয়েছে বন্দ কপাটখানি
এই দিব্য শয়ন বেলায় আমি একাকী হেঁটে যাই নদীর তীরে
জলের অর্ঘ্য নিয়ে অমাবস্যার আকাশে খুঁজি
যাযাবর তারকদের হারানো দীপ্তি
সংকল্পের নিজের মনে পুনরাবর্তন করে যাই
মানুষ মানুষের জন্য, মাটির অঞ্জলি নদীর গায়ে দিয়ে
নিজের ঘট শ্রাদ্ধ দিয়ে উদাস ফিরে আসি !
-- শান্তনু সান্যাল
ये तुम्हें भी ख़बर है और मुझे भी पता
कि वो शख्स  कभी नज़र नहीं आता,
फिर किस की ख़ातिर ये ख़ून बहा  -
वो हो न हो, ज़िन्दा हैं सांसें तुम में भी
मुझ में भी, सदियों से है ये सिलसिला,
ग़र पा जावो उसे किसी मोड़ पे लिखवा
लेना ये क़ायनात अपने नाम पूरा ही !
हमने तो छोड़ दी दुनिया मुहोब्बत के
लिए,न ख़बर कोई न है अपना पता !
--- शांतनु सान्याल