Saturday, 4 September 2010

প্রতিশ্রুতির চিঠি

অন্তর্দ্বন্দের মাঝে প্রেম যে


কখন হারিয়ে গেল নিজেই জানি না

অনুতপ্ত হৃদয়ে একাকী ফিরে দেখি

বহু দূর তুমি ছায়া সম

বিলীন হয়েছ উতলা নদীর স্রোতে

ঘাটের সোপানে প্রতিশ্রুতির চিঠি

মিষ্টি কিছু সুন্দর মুচকি হাসি

চেনা চেনা দেহের গন্ধ

হটাত যেন ভেসে ওঠে /

প্রজাপতির পাখার স্পর্শ

হাতে রয়েছে এখনো কিছু

সেউলি গন্ধে মাখা মিলন বিন্দু

সাঁঝের আকাশে মেঘের চিত্রলিপি

এলোমেলো, অন্যমনস্ক বালুর চরে

কিছু পদ চিহ্ন

হটাত যেন ভেসে ওঠে /

ঘোলাটে স্বপ্নের চক্র ধারায়

শিশুদের কাগজের নৌকায়

তোমার প্রতিচ্ছবি কিংবা

হারানো চিত্রকরের শেষ কৃতি

জানি না কি যে হয় অলস সন্ধায়

নদীর বুকে হটাত স্মৃতি গুলো ভেসে ওঠে //

-- শান্তনু সান্যাল

হলাহল পান

হলাহল পান করা এত সহজ নয়


সূর্যের আলো তে উলঙ্গ দেহ

বৃতৃষ্ণা জাগায় হৃদয়ে

আবার গহন আঁধারে চরিত্র

নগ্ন হয় যায় সহজে

আত্ম বিশ্লেষণ করা খুবই

কঠিন, দুরুহ প্রতিক্রিয়া

সর্বদা নিজে কে ফাঁকি দিয়ে

দর্পণ কে দোষ দেয়া চলে না

খননে অনেক সময় নিজেই

ঝাপ দিয়ে যায় মানুষ

মৃগতৃষ্ণা ও সজল নদীর

প্রবাহে তপাথ কৃতিম নয়

ফাল্গু নদীর বুকে কবে যে

আবার জল রাশি ঢেউ তুলবে

সুজন মানুষ বারে বারে ভুল করে

না, বালুর তলে জল লুকানো থাকে

সে জানে ভালো ভাবে -

সঠিক মুহুর্তে পিন্ড দান করাই বুদ্ধিমতা,

অযথা প্রেতের অভিশাপ বয়ে নেয়া মুর্খতা //

--- শান্তনু সান্যাল