শব্দবিহীন অভিব্যক্তি,অনেক সময় বলে যায়
গভীর কথা, যুগল অধর শান্ত নীল সমুদ্র,
দুই নেত্র অন্তরে স্পর্শ করে অগাধ ভাবে,
উচ্চ অট্টহাসির মাঝে, মুহুর্তে শুন্যতা ছেয়ে যায় /
শীতের পড়ন্ত বেলায়, মন চায় এক মুঠো রোদ,
যেন কিছু ক্ষন জানালায়,থেমে থাকুক আপনমনে
জীবনের মধুমাস খুবই চঞ্চল, কবে, কোন পথ হইতে
বাহির যাবে, উন্মুক্ত আকাশ সর্বদা নিরুত্তর /
--- শান্তনু সান্যাল
বাংলা আধুনিক কাব্য গুচ্ছ / BENGALI MODERN POETRY - শান্তনু সান্যাল / SHANTANU SANYAL © It's subject to copyright.
মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১০
সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১০
লাজুক প্রভাত( including english translation)
লাজুক প্রভাত
হৃদয়ের কোমল তন্তুর মাঝে
মধুরিম অনুভূতি,
প্রতিপলে বিভোর পরিধানে
প্রনয় জন্ম গ্রহন করে,
কখনো ছুঁতে চায় নীলিমার
অগুনিত আকাশকুসুম,
কার যেন দুই নয়নে, মায়াভরা
সন্ধ্যা নেমে আসে, লাজুক
থেমে থেমে, পদধ্বনির মাঝে,
শিহরিত রাকা উঠে যায় অম্বরে,
চন্দ্রমল্লিকার স্নিগ্ধ সুবাসে
পুরাতন স্পর্শ ভেসে যায়
নিশিগন্ধার অর্ধ বিলসিত বৃন্তে,
কিছু স্মৃতি অবাক চেয়ে থাকে
নিস্তব্ধ সেতার সহসা ঝঙ্কৃত,
অজানা ছায়াময় ভালবাসা
দুয়ার খুলে মিষ্টি মুখে,
স্বপ্ন গুলো জেদী, শিশু সম বায়না
ধরে রয়, চাঁদের উর্মি বেয়ে
যেতে চায় বহু দূরে, কোন
মধুময় প্রান্তরে, প্রীতির শিশির
যেন ঝরে,ঘুমন্ত জীবন জেগে রয়
নতুন ভোরে, পরিতৃপ্ত আলোর সন্ধানে //
-- শান্তনু সান্যাল
translation in english
the shy morning
into the delicate nerves
sweet experience is sprouted
every moment in new shape
desires want to touch the sky-
flowers, in some one s two eyes
magical evening is appeared
walking by hesitant steps
slowly moon rises
with daizy s fragrance
familiar touching immersed
into the bunch of tuber lilies
some memories silently looking
sitar recited itself
the unknown concealed love
opens the door with lovely smile
stubborn dreams want to walk
through the moonlight
wishing to go far away
in the beautiful land
drowsy life remained awaken
in the search of new dawn ,
শনিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১০
ঐতিয্য
সতী দেহ লয়ে কাঁধে, মহাকাল সম
প্রেমের পরিনিতি, ছিন্ন ভিন্ন
অঙ্গ প্রত্যঙ্গ , আকাশ পথে হইতে
ঝরেছে ধরিত্রীর বৃক্ষে
স্নায়ু, মজ্জা,হাড়, মাংস, রুধির
বিন্দু বিন্দু প্রতিটি অংশ
ভুমিশাত করেছে ক্ষুদিত
কিছু নিশাচর মানুষ,
প্রগাড় রাত্রির পার্শ্বে উল্কাপাত,
পান্থশালার অনাম নামাবলী
নিশীথে জেগে উঠে ভয়াভয় রূপে,
দেহের গিদ্ধ ভোজ সারা রাত,
অরুনোদয়ে কুলিন মুখ করবদ্ধ
কালিঘাট মন্দিরে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে
পাপমুক্ত, কোন প্রবাহে বহে জীবন স্রোত
শুধুই মহাকাল জানে --
ঘোলাটে গাঙ্গধারা, প্রতিচ্ছবি অস্পষ্ট
ঘাটে ফেলানো কিছু অতীতের প্রস্তর খন্ড
ভাঙা বুড়ো শিবের দেউল
জটাধারী বট বৃক্ষ
ভেসে যায় স্থির তরঙ্গে সব ঐতিয্য ও
অর্ঘ্যের পুষ্প,
-- শান্তনু সান্যাল
প্রেমের পরিনিতি, ছিন্ন ভিন্ন
অঙ্গ প্রত্যঙ্গ , আকাশ পথে হইতে
ঝরেছে ধরিত্রীর বৃক্ষে
স্নায়ু, মজ্জা,হাড়, মাংস, রুধির
বিন্দু বিন্দু প্রতিটি অংশ
ভুমিশাত করেছে ক্ষুদিত
কিছু নিশাচর মানুষ,
প্রগাড় রাত্রির পার্শ্বে উল্কাপাত,
পান্থশালার অনাম নামাবলী
নিশীথে জেগে উঠে ভয়াভয় রূপে,
দেহের গিদ্ধ ভোজ সারা রাত,
অরুনোদয়ে কুলিন মুখ করবদ্ধ
কালিঘাট মন্দিরে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে
পাপমুক্ত, কোন প্রবাহে বহে জীবন স্রোত
শুধুই মহাকাল জানে --
ঘোলাটে গাঙ্গধারা, প্রতিচ্ছবি অস্পষ্ট
ঘাটে ফেলানো কিছু অতীতের প্রস্তর খন্ড
ভাঙা বুড়ো শিবের দেউল
জটাধারী বট বৃক্ষ
ভেসে যায় স্থির তরঙ্গে সব ঐতিয্য ও
অর্ঘ্যের পুষ্প,
-- শান্তনু সান্যাল
বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১০
ফিরে যাও বন্ধু
ফিরে যাও বন্ধু , আগ্নেয়গিরির মুখে
ভালবাসার প্রতিশ্রুতি নিও না,
এখানে ফুল, মধু, নির্ঝর কিছুই নাই
শুধু ধুম্রময় আকাশ, বিষাক্ত বাতাস
জীবনের এলোমেলো ধ্বংশ স্তূপ,
চাঁদ উঠে, আপন মনে ডুবে যায়
অরণ্য বিথী কবে যে পুড়ে গেছে,
কিছু আধজ্বালা গাছের শাখায়
ঝুলানো রয়েছে স্বপ্ন মধুর,
অতীতের কিছু মাদল আর পদচিহ্ন
পদ্ম, সেউলি, মধুমালতী - -
ফুটে নিজের মনে, সুরুভি ছড়ায়
শরতের শেষে, মহানগরের বুকে --
আবার হারিয়ে যায় নিঃশব্দে, নিখোঁজ
কিছু মুখ হাত বাড়িয়ে বাঁচতে চায়,
মরাপুকুর, শুকনো নদীর বালু চর -
তাদের ঠিকানা চিরদিনের জন্য,
ভূমিগ্রস্ত করে, বন্যা ধুয়ে যায়
সমস্ত জানা অজানা মুখ, দেহ পরিনিত
হয় নতুন শল্খে গাথা যেন সরিসর্প,
দংশিত জীবন উঠে আসে আবার গুহার মুখে
বাঁচার প্রতিযোগিতায়, জলে বাস করলে
কুমির কে বাদ দেয়া এত সহজ নয় - বন্ধু //
-- শান্তনু সান্যাল
, আগ্নেয়গিরির মুখে
ভালবাসার প্রতিশ্রুতি নিও না,
এখানে ফুল, মধু, নির্ঝর কিছুই নাই
শুধু ধুম্রময় আকাশ, বিষাক্ত বাতাস
জীবনের এলোমেলো ধ্বংশ স্তূপ,
চাঁদ উঠে, আপন মনে ডুবে যায়
অরণ্য বিথী কবে যে পুড়ে গেছে,
কিছু আধজ্বালা গাছের শাখায়
ঝুলানো রয়েছে স্বপ্ন মধুর,
অতীতের কিছু মাদল আর পদচিহ্ন
পদ্ম, সেউলি, মধুমালতী - -
ফুটে নিজের মনে, সুরুভি ছড়ায়
শরতের শেষে, মহানগরের বুকে --
আবার হারিয়ে যায় নিঃশব্দে, নিখোঁজ
কিছু মুখ হাত বাড়িয়ে বাঁচতে চায়,
মরাপুকুর, শুকনো নদীর বালু চর -
তাদের ঠিকানা চিরদিনের জন্য,
ভূমিগ্রস্ত করে, বন্যা ধুয়ে যায়
সমস্ত জানা অজানা মুখ, দেহ পরিনিত
হয় নতুন শল্খে গাথা যেন সরিসর্প,
দংশিত জীবন উঠে আসে আবার গুহার মুখে
বাঁচার প্রতিযোগিতায়, জলে বাস করলে
কুমির কে বাদ দেয়া এত সহজ নয় - বন্ধু //
-- শান্তনু সান্যাল
মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১০
মুখোস
মুখোস
মুখরিত উচ্চ শিখরে অনুষ্ঠান
বিদেশী আতরে ভরা প্রগতি সদন,
দামী মদের ঝাক ঝাক বোতলে সুপ্ত
বিদেশী যত সব, আয়াতীত বিচারধারা /
পাশ্চাত্য ও পুরাতন সভ্যতার মিলন বিন্দু
দীর্ঘ ভাষণের পার্শ্বে শুধুই শুন্যতা,
অবিরল এক বৃদ্ধ গেয়ে যায়
অবনতির বিজয় গাথা, দাবি করে
সমাজের উন্নতির জন্য যেন পৃথিবীর
সমস্ত সুখ ছড়িয়েছে, আবার বহু দর্শক
মুখ চাপা দিয়ে হেসেই চলেছেন /
প্রগতির দর্পণ, মুখোসের আসল রূপ
দেখে নিজেই ভেঙে বহু কোণে
এই ভাবে বিলিন হলো যে হদিস পাওয়া
মুশকিল, মানবিকতার মশাল নিভে চলেছে,
আস্তে আস্তে অনুষ্ঠান শেষ মুখী,
দর্শক বিহীন মঞ্চে রয়েছে ক একটা
পুষ্প মালা আর সহস্ত্র মুখোস //
-- শান্তনু সান্যাল
মুখরিত উচ্চ শিখরে অনুষ্ঠান
বিদেশী আতরে ভরা প্রগতি সদন,
দামী মদের ঝাক ঝাক বোতলে সুপ্ত
বিদেশী যত সব, আয়াতীত বিচারধারা /
পাশ্চাত্য ও পুরাতন সভ্যতার মিলন বিন্দু
দীর্ঘ ভাষণের পার্শ্বে শুধুই শুন্যতা,
অবিরল এক বৃদ্ধ গেয়ে যায়
অবনতির বিজয় গাথা, দাবি করে
সমাজের উন্নতির জন্য যেন পৃথিবীর
সমস্ত সুখ ছড়িয়েছে, আবার বহু দর্শক
মুখ চাপা দিয়ে হেসেই চলেছেন /
প্রগতির দর্পণ, মুখোসের আসল রূপ
দেখে নিজেই ভেঙে বহু কোণে
এই ভাবে বিলিন হলো যে হদিস পাওয়া
মুশকিল, মানবিকতার মশাল নিভে চলেছে,
আস্তে আস্তে অনুষ্ঠান শেষ মুখী,
দর্শক বিহীন মঞ্চে রয়েছে ক একটা
পুষ্প মালা আর সহস্ত্র মুখোস //
-- শান্তনু সান্যাল
সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১০
স্বপ্নবৃন্তে বৃষ্টি ঝরায় অহর্নিশি
সে অপরূপ মায়া শুধায় প্রেমের উত্সর্গ
হয় তো আজ ও রয়েছে যিশুর পৃথিবী,
পদদলিত, অসুন্দর, অবহেলিত হৃদয়ে
তুমি আছো নিরব, মানুষের মাঝে,
করুনামুখী নির্ঝর দেখেছি সজল চোখে,
পরিত্যক্ত শিশুদের হাসি, জীবনের
ইতিকথা লিখে যায় হারানো পৃষ্ঠে,
অজানা দুটি হাত সহসা উঠে আসে
ভালবাসা জড়াতে চায়, মিষ্টি শীতের
গায়ে নরম যেন দিনান্তের শেষ আলো,
বাজারের নীলাম মঞ্চে,অদৃশ্য মুখ
সহসা বুকের কাছে জড়িয়ে বলে, ভয়
নাই তোমায় বিক্রয় হতে দেব না,
অনুরাগের চিকন আবরণে, ঝরিত
অশ্রু ধারা সে আত্মসাত করে সহজে,
কেমন করে, কীভাবে সে উঠে আসে,
আমি আজ ও বুঝতে পারি নি,
তার হটাত অকস্মাত আসা, মনের
স্বপ্নবৃন্তে বৃষ্টি ঝরায় অহর্নিশি //
--- শান্তনু সান্যাল
হয় তো আজ ও রয়েছে যিশুর পৃথিবী,
পদদলিত, অসুন্দর, অবহেলিত হৃদয়ে
তুমি আছো নিরব, মানুষের মাঝে,
করুনামুখী নির্ঝর দেখেছি সজল চোখে,
পরিত্যক্ত শিশুদের হাসি, জীবনের
ইতিকথা লিখে যায় হারানো পৃষ্ঠে,
অজানা দুটি হাত সহসা উঠে আসে
ভালবাসা জড়াতে চায়, মিষ্টি শীতের
গায়ে নরম যেন দিনান্তের শেষ আলো,
বাজারের নীলাম মঞ্চে,অদৃশ্য মুখ
সহসা বুকের কাছে জড়িয়ে বলে, ভয়
নাই তোমায় বিক্রয় হতে দেব না,
অনুরাগের চিকন আবরণে, ঝরিত
অশ্রু ধারা সে আত্মসাত করে সহজে,
কেমন করে, কীভাবে সে উঠে আসে,
আমি আজ ও বুঝতে পারি নি,
তার হটাত অকস্মাত আসা, মনের
স্বপ্নবৃন্তে বৃষ্টি ঝরায় অহর্নিশি //
--- শান্তনু সান্যাল
মুক্তির পথ
নিঃশব্দ পাখিরা উড়ে যায় অন্তরিক্ষে
ছায়াময় রাত্রি ঘুমন্ত পৃথিবী,
অন্তহীন অন্ধকার, যেন অশেষ প্রাচীন
এক গুহার মুখোমুখি আমার
অস্তিত্ব, বুকে পাষাণ বয়ে চলেছে --
চন্দ্র বিহীন আকাশ, নিরবতা সঘন
তবু যেন জাদুভরা চোখে তারাদের
আলো অজানা ভাষায় গল্প করে,
গোপন এক নদী একাকী বয়ে চলেছে
গন্তব্যহীন সাগর সঙ্গমে,বহু দূর -
আমাদের বন্ধুত্ব পুরাতন, আমি এবং
নদী প্রায: গল্প করি, তার কাহিনীর
কোনো ইতি নাই, শুনতে ভালো লাগে
এক বৃদ্ধ পুরোহিত, নাকি এক দিন
নিজের শ্রাদ্ধ নিজেই করতে গিয়ে বলে-
হে নদী, ছদ্ম যত সব আত্মীয়তা ছিল
মনের মাঝে তোমার অতল জলে তিলাঞ্জলি
দিয়ে মোহপাশের বাঁধন আজ খুলে দিলাম,
নদী নাকি মৌন উত্তর দিয়ে ছিল
এতই সহজ যদি হত, মুক্তির পথ -
যুগে যুগে অভিশাপিত জলরাশির ভার
আমিও যে কেন বয়ে যেতাম,
স্বেচ্ছায় শুকিয়ে দায়িত্য মুক্ত হতাম //
- - শান্তনু সান্যাল
ছায়াময় রাত্রি ঘুমন্ত পৃথিবী,
অন্তহীন অন্ধকার, যেন অশেষ প্রাচীন
এক গুহার মুখোমুখি আমার
অস্তিত্ব, বুকে পাষাণ বয়ে চলেছে --
চন্দ্র বিহীন আকাশ, নিরবতা সঘন
তবু যেন জাদুভরা চোখে তারাদের
আলো অজানা ভাষায় গল্প করে,
গোপন এক নদী একাকী বয়ে চলেছে
গন্তব্যহীন সাগর সঙ্গমে,বহু দূর -
আমাদের বন্ধুত্ব পুরাতন, আমি এবং
নদী প্রায: গল্প করি, তার কাহিনীর
কোনো ইতি নাই, শুনতে ভালো লাগে
এক বৃদ্ধ পুরোহিত, নাকি এক দিন
নিজের শ্রাদ্ধ নিজেই করতে গিয়ে বলে-
হে নদী, ছদ্ম যত সব আত্মীয়তা ছিল
মনের মাঝে তোমার অতল জলে তিলাঞ্জলি
দিয়ে মোহপাশের বাঁধন আজ খুলে দিলাম,
নদী নাকি মৌন উত্তর দিয়ে ছিল
এতই সহজ যদি হত, মুক্তির পথ -
যুগে যুগে অভিশাপিত জলরাশির ভার
আমিও যে কেন বয়ে যেতাম,
স্বেচ্ছায় শুকিয়ে দায়িত্য মুক্ত হতাম //
- - শান্তনু সান্যাল
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)






