হলাহল পান করা এত সহজ নয়
সূর্যের আলো তে উলঙ্গ দেহ
বৃতৃষ্ণা জাগায় হৃদয়ে
আবার গহন আঁধারে চরিত্র
নগ্ন হয় যায় সহজে
আত্ম বিশ্লেষণ করা খুবই
কঠিন, দুরুহ প্রতিক্রিয়া
সর্বদা নিজে কে ফাঁকি দিয়ে
দর্পণ কে দোষ দেয়া চলে না
খননে অনেক সময় নিজেই
ঝাপ দিয়ে যায় মানুষ
মৃগতৃষ্ণা ও সজল নদীর
প্রবাহে তপাথ কৃতিম নয়
ফাল্গু নদীর বুকে কবে যে
আবার জল রাশি ঢেউ তুলবে
সুজন মানুষ বারে বারে ভুল করে
না, বালুর তলে জল লুকানো থাকে
সে জানে ভালো ভাবে -
সঠিক মুহুর্তে পিন্ড দান করাই বুদ্ধিমতা,
অযথা প্রেতের অভিশাপ বয়ে নেয়া মুর্খতা //
--- শান্তনু সান্যাল
বাংলা আধুনিক কাব্য গুচ্ছ / BENGALI MODERN POETRY - শান্তনু সান্যাল / SHANTANU SANYAL © It's subject to copyright.
শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১০
শুক্রবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১০
ত্রিশূলের মুখে শীষ অর্পণ করে
হে রিপুদল নাশিনী,
সহস্ত্র বাহু ধারিণী
হে মাত, অগ্নিপুরুষ জন্ম দিও
যে মেদিনীর বক্ষে আগ্নেয় গিরি সম
অধর্মির রক্তে স্নান করে
দেবালয়ের রক্ষার্থ
ত্রিশূলের মুখে শীষ অর্পণ করে
হে মহামায়া জগত জননী
অগ্নি কন্যা জন্ম দিও
যে দ্রৌপদির এলো কেশে
প্রতিশোধের আগুন সাজাতে জানে
হেয় দেবী দুগ্ধ দিও না
শিশুর মুখে যেন অমৃত পড়ে
পৃথিবীর সমস্ত ব্যথিত
প্রতারিত, অপমানিত, তৃষিত
মানুষের মুখ চেয়ে
সে যেন প্রাণ বলিদান করে
হে জগত জননী, মা ভারতী
শুধুই অগ্নি পুরুষ ও অগ্নি কন্যা
জন্ম দিও ।
-- শান্তনু সান্যাল
সহস্ত্র বাহু ধারিণী
হে মাত, অগ্নিপুরুষ জন্ম দিও
যে মেদিনীর বক্ষে আগ্নেয় গিরি সম
অধর্মির রক্তে স্নান করে
দেবালয়ের রক্ষার্থ
ত্রিশূলের মুখে শীষ অর্পণ করে
হে মহামায়া জগত জননী
অগ্নি কন্যা জন্ম দিও
যে দ্রৌপদির এলো কেশে
প্রতিশোধের আগুন সাজাতে জানে
হেয় দেবী দুগ্ধ দিও না
শিশুর মুখে যেন অমৃত পড়ে
পৃথিবীর সমস্ত ব্যথিত
প্রতারিত, অপমানিত, তৃষিত
মানুষের মুখ চেয়ে
সে যেন প্রাণ বলিদান করে
হে জগত জননী, মা ভারতী
শুধুই অগ্নি পুরুষ ও অগ্নি কন্যা
জন্ম দিও ।
-- শান্তনু সান্যাল
বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১০
আমিও তো স্বজাতি
এই ভাবে জীবিত থাকা আত্ম হনন ছাড়া কিছু নাই
মেরুদন্ড বিহীন, তারা বলে তুমি বাঁচতে জানো,
আমি বলি তুমি মৃত,বেঁচে থাকার অধিকার
কখন তাহারা কেঁড়ে নিয়েছে, সে জানো ?
এই দেশে,পূর্বে তুমি বাঁচার জন্য
নিজের অস্তিত্ব নিয়ে চিন্তিত,
একই দেশে পশ্চিমে উন্নতির উদয়
তারা অনুদান দিয়ে গর্ভিত --
কারা বাঁচতে জানে আর কে প্রতি মুহুর্তে
মৃত্যু মুখী নিজেরাই বিচার কর,
যদি না, তাহলে পুড়িয়ে দাও সমস্ত ইতিহাস,
ভুলে যাও রবি, বঙ্কিম, শরত
তাহাদের আত্মা দুঃখ পাবে
যে জাতি নিজের অবন্নতি কে নিয়তি বলে
তাহাদের জন্য আত্মঘাত ছাড়া কোন
পথ নাই,চল আমিও বিষ পান করি - - -
আমিও তো স্বজাতি -- তা ভুলতে তো পারি না //
-- শান্তনু সান্যাল
মেরুদন্ড বিহীন, তারা বলে তুমি বাঁচতে জানো,
আমি বলি তুমি মৃত,বেঁচে থাকার অধিকার
কখন তাহারা কেঁড়ে নিয়েছে, সে জানো ?
এই দেশে,পূর্বে তুমি বাঁচার জন্য
নিজের অস্তিত্ব নিয়ে চিন্তিত,
একই দেশে পশ্চিমে উন্নতির উদয়
তারা অনুদান দিয়ে গর্ভিত --
কারা বাঁচতে জানে আর কে প্রতি মুহুর্তে
মৃত্যু মুখী নিজেরাই বিচার কর,
যদি না, তাহলে পুড়িয়ে দাও সমস্ত ইতিহাস,
ভুলে যাও রবি, বঙ্কিম, শরত
তাহাদের আত্মা দুঃখ পাবে
যে জাতি নিজের অবন্নতি কে নিয়তি বলে
তাহাদের জন্য আত্মঘাত ছাড়া কোন
পথ নাই,চল আমিও বিষ পান করি - - -
আমিও তো স্বজাতি -- তা ভুলতে তো পারি না //
-- শান্তনু সান্যাল
পরজীবী
পরজীবী অমর বেল,ছদ্ম অনুরাগ
সহজে দেহচ্যুত করা যায় না
বট বৃক্ষ বাঁচাতে হলে, বন্য লতা
কেটে ফেলতে হয়, এটাই নিয়ম,
বন্য মোষ দল বেঁধে যদি এক হয়
সিংহ কুটুম্ব পথ খুঁজে পায় না,
মানুষ এখনো বিলুপ্ত হয় নি
পৃথিবীর বুকে রাজত্ব চরাচর,
মহাভারত মিথক তোমার চোখে
সাধারণ মানুষ অন্তরে কুরুক্ষেত্র
লয়ে বেঁচে আছে দিবা নিশি,
দাবানল বিক্ষিপ্ত পথিক অবিরাম
যদি ছড়ায় ভালো মন্দ ভুঝে না,
পথের সমস্ত বাধা সমুল নষ্ট করে
যায় নিমিষে,প্রকৃতির এটাই নিয়ম,
বৃহত কোন দর্শনের দরকার বৃথা //
-- shantanu sanyal
সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০১০
সতত অনুসন্ধান
নিস্তেজ, ভাষাহীন, দুটি অপলক চক্ষু
কী যেন খুঁজে সারাটা সময়,
রেলএর লাইনে,রাস্তার দু ধারে,
মন্দিরের ভাঙা সোপানে, শুধুই খুঁজে যায়
মানুষ কিম্বা অমানুষ, কেও হাসে, কেও দুঃখিত,
গ্রীষ্ম, শীত অথবা কাল বৈশাখী -- দুই নয়নে
ঝরে যায় প্রাচীন জমানো ব্যথা -- অবশ্যই
অশ্রু ধারার চিহ্ন নাই, অদৃশ্য জল স্রোত --
ভুমিকম্পিত স্মৃতির প্রান্তর, লোকেরা বলে
পাগল মহিলা, বলা তো সব থেকে সহজ
শুনেছি না কি, কুলীন কোন বংশের বধু
ছেলে আমেরিকায় কী লন্ডনে ----
সবাই তো আছে, শাখা -প্রশাখা
জানি না কী যে হারিয়ে গেছে ওনার,
নিস্তব্ধ মুখে তবু ও কোন অনুতাপ দেখি না
শুধুই খুঁজেন কখনো মাটিতে আবার
কখনো নীল আকাশে, সতত অনুসন্ধান //
---- শান্তনু সান্যাল
কী যেন খুঁজে সারাটা সময়,
রেলএর লাইনে,রাস্তার দু ধারে,
মন্দিরের ভাঙা সোপানে, শুধুই খুঁজে যায়
মানুষ কিম্বা অমানুষ, কেও হাসে, কেও দুঃখিত,
গ্রীষ্ম, শীত অথবা কাল বৈশাখী -- দুই নয়নে
ঝরে যায় প্রাচীন জমানো ব্যথা -- অবশ্যই
অশ্রু ধারার চিহ্ন নাই, অদৃশ্য জল স্রোত --
ভুমিকম্পিত স্মৃতির প্রান্তর, লোকেরা বলে
পাগল মহিলা, বলা তো সব থেকে সহজ
শুনেছি না কি, কুলীন কোন বংশের বধু
ছেলে আমেরিকায় কী লন্ডনে ----
সবাই তো আছে, শাখা -প্রশাখা
জানি না কী যে হারিয়ে গেছে ওনার,
নিস্তব্ধ মুখে তবু ও কোন অনুতাপ দেখি না
শুধুই খুঁজেন কখনো মাটিতে আবার
কখনো নীল আকাশে, সতত অনুসন্ধান //
---- শান্তনু সান্যাল
বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০১০
নিজস্ব বলে কিছুই নাই
নিজস্ব বলে কিছুই নাই
প্রতিবন্ধিত রেল লাইনের দুই ধারে
কিছু চেনা অচেনা মুখ, জর্জরিত, ক্লান্ত
শুন্য চোখে শুধুই চেয়ে থাকে -
ঝগ ঝগ সুন্দর এক উচ্চ অট্টালিকা
প্রাঙ্গনে মৌসুমী ফুলের বাহার,
বস্তির সীমান্তে গর্বিত মুদ্রায়-
দাপটের সঙ্গে দাড়িয়ে আছে /
এলোমেলো, অস্পষ্ট চোখের ভাষা
তারা যেন কিছু বলতে চায়
কিম্বা কিছু ভুলতে চায়
ওদের নিজস্ব বলে তো আর
কিছু নাই,যা হারিয়ে গেলে দুঃখ হবে /
কখনো মনে হয় -- বিলুপ্ত প্রাণীর
অস্তিত্ব থাকা বা না থাকা, কোন
প্রশ্নই উঠে না, কার এত ফেলানো সময় আছে /
রাস্তার মাঝে,উড়ান পুলের নিচে,
ভাঙা ফুট পাথে,বৃহত ভাঙান গায়ে জড়িয়ে
সাঁঝের শেষে, পুরাতন কাগজের বিছানা
তারা ঘুমিয়ে পড়ে,
স্বপ্ন মিছিল ফিরে যায় মধ্য নিশীথে,
নিজস্ব বলে তো আর কিছু নাই-
তারা স্বপ্ন দেখা বাদ দিয়েছে -
বহু কাল আগে //
-- শান্তনু সান্যাল
প্রতিবন্ধিত রেল লাইনের দুই ধারে
কিছু চেনা অচেনা মুখ, জর্জরিত, ক্লান্ত
শুন্য চোখে শুধুই চেয়ে থাকে -
ঝগ ঝগ সুন্দর এক উচ্চ অট্টালিকা
প্রাঙ্গনে মৌসুমী ফুলের বাহার,
বস্তির সীমান্তে গর্বিত মুদ্রায়-
দাপটের সঙ্গে দাড়িয়ে আছে /
এলোমেলো, অস্পষ্ট চোখের ভাষা
তারা যেন কিছু বলতে চায়
কিম্বা কিছু ভুলতে চায়
ওদের নিজস্ব বলে তো আর
কিছু নাই,যা হারিয়ে গেলে দুঃখ হবে /
কখনো মনে হয় -- বিলুপ্ত প্রাণীর
অস্তিত্ব থাকা বা না থাকা, কোন
প্রশ্নই উঠে না, কার এত ফেলানো সময় আছে /
রাস্তার মাঝে,উড়ান পুলের নিচে,
ভাঙা ফুট পাথে,বৃহত ভাঙান গায়ে জড়িয়ে
সাঁঝের শেষে, পুরাতন কাগজের বিছানা
তারা ঘুমিয়ে পড়ে,
স্বপ্ন মিছিল ফিরে যায় মধ্য নিশীথে,
নিজস্ব বলে তো আর কিছু নাই-
তারা স্বপ্ন দেখা বাদ দিয়েছে -
বহু কাল আগে //
-- শান্তনু সান্যাল
বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০১০
উদ্ঘোষিত আর্যবৃত - -
এই ভগ্ন দেবালয়ের প্রস্তর
আবার হউক জাগৃত,
গোধুলি তে শঙ্খ ধ্বনি
তুলসী তলে পঞ্চ প্রদীপ
নির্ভয় সান্ধ্য বন্দনা
উদ্ঘোষিত আর্যবৃত
গুঞ্জরিত বিজয় গান,
মহাসিন্ধুর উচ্চ তরঙ্গে
ঋচা অভিমন্ত্রিত বহে
জ্ঞানামৃত - -
- - শান্তনু সান্যাল
আবার হউক জাগৃত,
গোধুলি তে শঙ্খ ধ্বনি
তুলসী তলে পঞ্চ প্রদীপ
নির্ভয় সান্ধ্য বন্দনা
উদ্ঘোষিত আর্যবৃত
গুঞ্জরিত বিজয় গান,
মহাসিন্ধুর উচ্চ তরঙ্গে
ঋচা অভিমন্ত্রিত বহে
জ্ঞানামৃত - -
- - শান্তনু সান্যাল
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)




