কলঙ্ক যখন বয়ে চলেছি মাথায়, আর লজ্জা দিও না ,
এখানে সবাই নির্বস্ত্র, বরঞ্চ আবরণ মুক্ত করে নিও /
মুখোসের আড়ালে কত দিন, দিয়ে যাবে সতত ফাঁকি,
দর্পণ জানে ভালই ভাবে, লোম-প্রতিলোম রহস্য
মানুষ ছিলে কী এত দিন? অবশেষে গন্ধ ভরে নিও /
সুগন্ধে না কী ,কুত্সিত ভাবনায় পবিত্রতা আনে,
চন্দন বৃক্ষ বিষ মুক্ত, বিষধর লতিয়ে থাকার সত্তেও
সুতরাং কালরাত্রির পুর্বে, সহস্ত্র পুষ্পে মন ভরে নিও /
পাপ পুন্যে, দেয়া নেওয়া দুই জনের মাঝে- গুপ্ত সন্ধি,
নির্ভয়ে চরিত্রবান সেজে, ভিড় সরিয়ে মন্দিরে যেও //
-- শান্তনু সান্যাল
বাংলা আধুনিক কাব্য গুচ্ছ / BENGALI MODERN POETRY - শান্তনু সান্যাল / SHANTANU SANYAL © It's subject to copyright.
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১০
প্রেমের বৃতে
দেখেছি ত্বম রূপ, পূর্ণ শশি সম, শরতের নীলাম্বরে -
ডানপিঠে শিশুর উন্মুক্ত হাসির মাঝে খুঁজেছি
হারানো কিছু জীবনের পৃষ্ঠ, নিরুদেশ্য পথের ধারে,
শুনেছি ত্বম প্রণয়গান, জলপ্রপাতের বিহঙ্গম প্রবাহে
মহুয়া বনে শুনেছি, চেনা নিশি ডাক বহু বারে,
প্রতিচ্ছায়া মম, শুন্য নিয়ে করে কত আলোচনা,
আহত কবিতার অংশ, জেগে উঠে মৃদুল প্রহারে,
প্রেমের বৃতে ছিল অসংখ্য বিন্দু অবহেলিত -
বুকে লিপ্ত রয়েছে স্বপ্ন, , নগ্ন দেহ যেন আঁধারে,
- shantanu sanyal
ডানপিঠে শিশুর উন্মুক্ত হাসির মাঝে খুঁজেছি
হারানো কিছু জীবনের পৃষ্ঠ, নিরুদেশ্য পথের ধারে,
শুনেছি ত্বম প্রণয়গান, জলপ্রপাতের বিহঙ্গম প্রবাহে
মহুয়া বনে শুনেছি, চেনা নিশি ডাক বহু বারে,
প্রতিচ্ছায়া মম, শুন্য নিয়ে করে কত আলোচনা,
আহত কবিতার অংশ, জেগে উঠে মৃদুল প্রহারে,
প্রেমের বৃতে ছিল অসংখ্য বিন্দু অবহেলিত -
বুকে লিপ্ত রয়েছে স্বপ্ন, , নগ্ন দেহ যেন আঁধারে,
- shantanu sanyal
সমস্ত পৃথিবী আক্রান্ত
ওরা আছে দেবতা কিম্বা দানব তারাই জানে
হাড় মাংসর শরীরে মানুষ থাকে এটাই সত্য,
চলন্ত জীবনে শুধুই দুই বেলার ক্ষুধার ছাড়া
অনেক কিছু দরকার, শ্বানসম জীবন বৃথা,
সহস্ত্র শতাব্দীর সভ্যতা ও সংস্কৃতির হ্বাসের পথে
ওরা এখন ও মুখোস নিয়ে কথা কয়,
চন্ডিমন্ডপে কর বদ্ধ প্রণাম করে, আবার
বিধর্মীর সম্মেলনে নিজেকে নাস্তিক বলে,
গাঙ্গেয় স্রোতের মাঝে সহস্ত্র হাত উঠে রয়েছে
তারা শান্তি চায়, অতৃপ্ত আত্মা পরিত্রাণ চায়,
শুধুই দেউলের বুকে অগ্নি, সমস্ত পৃথিবী আক্রান্ত !
তারা দানব কি মানব সময়ের হাতে,
অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে ঐক্য চাই
যদি বাঁচতে চাও, মানবতা বাঁচাতে চাও,
হিংস মানুষ কিম্বা দানবের অস্তিত্ব
এই ধরা হইতে অভিশাপ মুক্ত কর --
জন অবতার দরকার, এক কৃষ্ণ, এক অর্জুন
না, কোটি কোটি অভিমন্যুর দরকার এই পথে //
-- শান্তনু সান্যাল
হাড় মাংসর শরীরে মানুষ থাকে এটাই সত্য,
চলন্ত জীবনে শুধুই দুই বেলার ক্ষুধার ছাড়া
অনেক কিছু দরকার, শ্বানসম জীবন বৃথা,
সহস্ত্র শতাব্দীর সভ্যতা ও সংস্কৃতির হ্বাসের পথে
ওরা এখন ও মুখোস নিয়ে কথা কয়,
চন্ডিমন্ডপে কর বদ্ধ প্রণাম করে, আবার
বিধর্মীর সম্মেলনে নিজেকে নাস্তিক বলে,
গাঙ্গেয় স্রোতের মাঝে সহস্ত্র হাত উঠে রয়েছে
তারা শান্তি চায়, অতৃপ্ত আত্মা পরিত্রাণ চায়,
শুধুই দেউলের বুকে অগ্নি, সমস্ত পৃথিবী আক্রান্ত !
তারা দানব কি মানব সময়ের হাতে,
অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে ঐক্য চাই
যদি বাঁচতে চাও, মানবতা বাঁচাতে চাও,
হিংস মানুষ কিম্বা দানবের অস্তিত্ব
এই ধরা হইতে অভিশাপ মুক্ত কর --
জন অবতার দরকার, এক কৃষ্ণ, এক অর্জুন
না, কোটি কোটি অভিমন্যুর দরকার এই পথে //
-- শান্তনু সান্যাল
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১০
মহাকাল রাত্রি
মহাকাল রাত্রি, তমস ঘন চত্বরে
অগ্নি পুরুষের আর্বিভাব -
ধ্বংস দেবালয়ে সহস্ত্র কন্ঠে নির্ভয়
সান্ধ্য পূজার কর আব্হান,
ত্রিশুল, খড়গ, হস্তে মুখে জয়ঘোষ
মহালয়ার নিশীথে অগ্নি ছুঁয়ে -
নিও আজ সপথ, দিও দেহদান,
তুমি কৃষ্ণ, তুমি সব্যসাচী, তোমার-
বীর্যে আছে জাতি অভিমান,
শাক্ত পন্থীর আবার মৃত্যু ভয় -
পুরুষ যদি আছ, আজ দিও প্রমান,
হে ভারত মায়ের গর্বিত সপুত
কুরুক্ষেত্রে আবার করো প্রস্থান,
দুর্যোধন, দুশ্শাসনের কুচক্রের হউক অন্ত
দ্রৌপদীর এলোচুলে আবার যেন
সাজে পদ্ম, শতদল ফুটুক পূর্ণ চন্দ্র
সম, হে ভরতবংশী করো আজ অগ্নিস্নান //
-- শান্তনু সান্যাল
অগ্নি পুরুষের আর্বিভাব -
ধ্বংস দেবালয়ে সহস্ত্র কন্ঠে নির্ভয়
সান্ধ্য পূজার কর আব্হান,
ত্রিশুল, খড়গ, হস্তে মুখে জয়ঘোষ
মহালয়ার নিশীথে অগ্নি ছুঁয়ে -
নিও আজ সপথ, দিও দেহদান,
তুমি কৃষ্ণ, তুমি সব্যসাচী, তোমার-
বীর্যে আছে জাতি অভিমান,
শাক্ত পন্থীর আবার মৃত্যু ভয় -
পুরুষ যদি আছ, আজ দিও প্রমান,
হে ভারত মায়ের গর্বিত সপুত
কুরুক্ষেত্রে আবার করো প্রস্থান,
দুর্যোধন, দুশ্শাসনের কুচক্রের হউক অন্ত
দ্রৌপদীর এলোচুলে আবার যেন
সাজে পদ্ম, শতদল ফুটুক পূর্ণ চন্দ্র
সম, হে ভরতবংশী করো আজ অগ্নিস্নান //
-- শান্তনু সান্যাল
ছদ্ম আবরণ
না হয় কিছু মিথ্যে, সাজিয়ে বলে যেতে
মধু মালতি লতার মাঝে কিছু নকল
পুষ্প ঝুলিয়ে যেতে, জানি যে প্রণয়ের
সুরভি চায় অনুতপ্ত, দগ্ধ, এক হৃদয় -না
হয় শুধু হাসির জালে ভুলিয়ে যেতে,
সজল নয়নে চেয়েছিলেম প্রতিশ্রুতি -
ফিরে আসবে বলে, পৃথিবী তো চাই নি
না হয় ছদ্ম আবরণ জড়িয়ে যেতে,
স্বপ্নময় ছিল যে অজানা জগতের রূপ
প্রেমের কল্পতরু কুসুমিত যেন শাখায়
শাখায়, না হয় নির্মম স্পর্শে সমস্ত
ভাবনার শিশির ঝরিয়ে যেতে,
রামধনু রঙ্গ চাই নি আমি কোনদিন,
না হয় ধুসর আকাশের কিছু ছায়া
জ্বলন্ত বুকে ভরিয়ে যেতে //
-- শান্তনু সান্যাল
মধু মালতি লতার মাঝে কিছু নকল
পুষ্প ঝুলিয়ে যেতে, জানি যে প্রণয়ের
সুরভি চায় অনুতপ্ত, দগ্ধ, এক হৃদয় -না
হয় শুধু হাসির জালে ভুলিয়ে যেতে,
সজল নয়নে চেয়েছিলেম প্রতিশ্রুতি -
ফিরে আসবে বলে, পৃথিবী তো চাই নি
না হয় ছদ্ম আবরণ জড়িয়ে যেতে,
স্বপ্নময় ছিল যে অজানা জগতের রূপ
প্রেমের কল্পতরু কুসুমিত যেন শাখায়
শাখায়, না হয় নির্মম স্পর্শে সমস্ত
ভাবনার শিশির ঝরিয়ে যেতে,
রামধনু রঙ্গ চাই নি আমি কোনদিন,
না হয় ধুসর আকাশের কিছু ছায়া
জ্বলন্ত বুকে ভরিয়ে যেতে //
-- শান্তনু সান্যাল
রিক্ত নদীর ধারে
রিক্ত নদীর ধারে
বসে আছি একাকী সেই অনাম রিক্ত নদীর ধারে ,
শৈল চিত্রে কী কোন অজ্ঞাত ভাষায়, কবিতা
লিখে ছিলে, পড়তে গিয়ে দেখি বয়স কবে যে
অস্তাচলের পথে, সন্ধ্যা ত আর অপেক্ষা করে না
আঁধারে উড়ে যায় কিছু স্বরলিপি , সুর খুঁজে -
বেড়ায় মন,কার ভাসা ভাসা কন্ঠে এখন ও ,
শুনি মুখরিত রয়েছে ভালবাসার কিছু গান -
কে যেন ডাক দিয়ে যায়, অবশ্যই দ্বার গুলো
উন্মুক্ত রয়েছে, যুগ যুগান্তর ধরে সমান ভাবে -
জীর্ণ নিশিগন্ধার গায়ে ছোঁয়া ছোঁয়া মিষ্টি গন্ধ
হটাত উর্ধ মুখী, ধুপ যেন ছড়িয়ে ছে শেষ
জ্বলন্ত বুকে লয়ে মধুর আভাস, বেমৌসুম
বৃষ্টি ঝরে যায় নিস্তব্ধ রজনীর বৃক্ষে ,শেষ
প্রহরে সুকনো নদী সহসা যেন মহা প্লাবিত //
-- শান্তনু সান্যাল
বসে আছি একাকী সেই অনাম রিক্ত নদীর ধারে ,
শৈল চিত্রে কী কোন অজ্ঞাত ভাষায়, কবিতা
লিখে ছিলে, পড়তে গিয়ে দেখি বয়স কবে যে
অস্তাচলের পথে, সন্ধ্যা ত আর অপেক্ষা করে না
আঁধারে উড়ে যায় কিছু স্বরলিপি , সুর খুঁজে -
বেড়ায় মন,কার ভাসা ভাসা কন্ঠে এখন ও ,
শুনি মুখরিত রয়েছে ভালবাসার কিছু গান -
কে যেন ডাক দিয়ে যায়, অবশ্যই দ্বার গুলো
উন্মুক্ত রয়েছে, যুগ যুগান্তর ধরে সমান ভাবে -
জীর্ণ নিশিগন্ধার গায়ে ছোঁয়া ছোঁয়া মিষ্টি গন্ধ
হটাত উর্ধ মুখী, ধুপ যেন ছড়িয়ে ছে শেষ
জ্বলন্ত বুকে লয়ে মধুর আভাস, বেমৌসুম
বৃষ্টি ঝরে যায় নিস্তব্ধ রজনীর বৃক্ষে ,শেষ
প্রহরে সুকনো নদী সহসা যেন মহা প্লাবিত //
-- শান্তনু সান্যাল
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১০
প্রতিদান
অশ্রুময় চোখে দিও না অর্ঘ্য
গহন আঁধারে কিছু দীপ ভাসিয়ে
ঘাটের চাতালে একাকী বসে
পথ চেয় না আমার,
শেষ নৌকার যাত্রী ফিরেছে কবে
মন্দিরে এখনো বৃন্দ গান
যেন উঠেছে ঝঞ্ঝা তুমুল কন্ঠে
প্রেমের আহুতি, ভষ্ম দেহ ও প্রাণ
নির্বন্ধ ছিল লুকোনো অনুরাগ
নদীর উতল ধারায় বিসর্জিত হলো
যুগের তৃষিত মান অভিমান
তুমি ছিলে, তুমি আছ, জানি একদিন
উদ্বেলিত মন পাবে অবসান
ফিরে যাও নীড়ে ক্ষনিক আবেশে
দিও না বন্ধু মহা প্রতিদান //
-- শান্তনু সান্যাল
গহন আঁধারে কিছু দীপ ভাসিয়ে
ঘাটের চাতালে একাকী বসে
পথ চেয় না আমার,
শেষ নৌকার যাত্রী ফিরেছে কবে
মন্দিরে এখনো বৃন্দ গান
যেন উঠেছে ঝঞ্ঝা তুমুল কন্ঠে
প্রেমের আহুতি, ভষ্ম দেহ ও প্রাণ
নির্বন্ধ ছিল লুকোনো অনুরাগ
নদীর উতল ধারায় বিসর্জিত হলো
যুগের তৃষিত মান অভিমান
তুমি ছিলে, তুমি আছ, জানি একদিন
উদ্বেলিত মন পাবে অবসান
ফিরে যাও নীড়ে ক্ষনিক আবেশে
দিও না বন্ধু মহা প্রতিদান //
-- শান্তনু সান্যাল
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)






